About us

কুমিল্লা জেলায় আইসিটি ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ গড়েতোলে আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেম কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রশিক্ষন কার্যক্রমের পথচলা শুরু জেনেটিক ইন্সটিটিউট অব ইনফেরমেশন টেকনোলজি।
সুদীর্ঘ সময় ধরে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলে আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে এ প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করে সুনাম ও খ্যাতি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বেকারত্ব নিরলসে অনন্য অবদানকারী এ প্রকল্পটি হাটি হাটি পায়ে অর্জন করে ২দশকের অভিজ্ঞতা। অর্জন করেছেন কয়েক লক্ষাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা।

যার ধারাবাহিকতায় আনোয়ারা মতিন এডুকেশন ফাউন্ডেশন ২০১১ সালে উদ্যাগ গ্রহন করে ৪বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা। স্থাপন করা হয় জেনেটিক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট নামক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনয়ারিং কলেজ। ২০১২ সালে জেনেটিক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক স্থাপনার অনুমোদর লাভ করে। ২০১৪সালের ১৮ আগষ্ট প্রকল্পটি ৪বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা-ইন-সিভিল টেকনোলজির পাঠদানের অনুমোদন লাভ করে।

২০১৪-১৫ শিক্ষা বর্ষ থেকে জেনেটিক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু করে। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠানটিতে সিভিল টেকনোলজিতে ১৩জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহন করেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ব্যাচের ১৩জন ছাত্র-ছাত্রী বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অর্ধীনে প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে শতভাগ পাস ও ৭০% শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ গেডে উত্তীর্ণ হয়। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় ব্যাচের (প্রায়) শতভাগ আসন পূরণ হয়। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে আনন্দের সাথে পাঠগ্রহন করে চলছেন।

জেনেটিক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বিশ্বমানের কারিগরি শিক্ষা বাস্তবায়নের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় জনমত বৃদ্ধির লক্ষ্যে দীর্ঘসময়ে ধরে নানারকম কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে জিপিআই কর্তৃক বাস্তবায়িত কিছু কার্যক্রমের ফটোগ্রাফি।
5

11

10

12

1

13

19

3

7

8

15

16

14

18

17