Civil Tech.

 

CIVIL STUDENTS
CIVIL STUDENTS

সিভিল টেকনোলজি

রাস্তা-ঘাট, দালান-কোঠা, ব্রীজ-কালভার্ট ইত্যাদির বদৌলতে মানবসভ্যতায় আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে। আধুনিকতাকে নান্দনিকতায় রূপ দিতে সিভিল ইন্জিনিয়ারগণ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এই কথা বিবেচনা করেই বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ৪ বছর মেয়াদী প্রকৌশল ডিপ্লোমা শিক্ষাক্রমের অধীনে “ডিপ্লোমা-ইন-সিভিল টেকনোলজি” চালু করেছেন। দেশে ও বিদেশে বিপুলভাবে সমাদৃত এই কোর্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর একজন শিক্ষার্থী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে কর্মসংস্থান ও আত্নকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে। এছাড়াও সামাজিকভাবে প্রকৌশল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।

চাকরির ক্ষেত্র-

(১) সরকারের সকল মন্ত্রনালয়, বিভাগ ও দপ্তরে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ২য় শ্রেনীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(২) বিদ্যমান সরকারী ও এবসরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসমূহে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৩) ভোকেশনাল স্কুলসমূহে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৪) বিভিন্ন কন্সট্রাকশন ফার্মে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৫) সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপ-সহকারী প্রকৈশলী (সিভিল) পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৬) বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)/সুপারভাইজার পদে চাকুরী লাভের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৭) বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকুরী লাভ করার যোগ্যতা অর্জন করবে।

CIVIL ENGINEERING
CIVIL ENGINEERING

আত্নকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র-

(১) কন্সট্রাকশন ফার্ম স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(২) গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকাদারী ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবে।

(৩) গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপদেষ্টা ফার্ম স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(৪) ব্রীক ফিল্ড স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।

(৫) আমদানী-রপ্তানীসহ গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবে।

(৬) কনসালটেন্ট হিসেবে এস্টিমেট, ডিজাইন, এনালাইসিস ও সুপারভিশনের কাজ করতে পারবে।

(৭) সার্ভে ইন্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারবে।

CIVIL-3

উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্র-

৪ বছর মেয়াদী উক্ত কোর্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড সনদপত্র প্রদান করবে। উক্ত সনদপত্রের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রৃহনের সুযোগ রয়েছে।

(১) দেশে বিদ্যমান ইন্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিএসসি-ইন-ইন্জিনিয়ারিং ডিগ্রী    অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(২) বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি-ইন-ইন্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করবে।

(৩) ইন্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, রমনা, ঢাকা কর্তৃক পরিচালিত এএমআইই () ডিগ্রী (বিএসসি-ইন-ইন্জিনিয়ারিং সমমান) অর্জন করতে পারবে।

(৪) বিদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়/ইন্সটিটিউট থেকে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে পারবে।

(৫) আইডিইবি’র   সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে।